দুই মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছিল স্বর্ণের দাম। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও পতন হয়েছে মূল্যবান ধাতুটির দামে। রয়টার্স বলছে, দ্রুত মুনাফা তুলে নেওয়ার কারণে স্পট গোল্ডের দাম প্রায় ১ শতাংশ কমেছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুর ২টা ৩৮ মিনিট পর্যন্ত স্পট স্বর্ণের দাম প্রায় ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৭৩ ডলার-এর কাছাকাছি নেমে আসে। এর আগে এশিয়ার বাজারে স্বর্ণের দাম প্রায় ১ শতাংশ বেড়ে ৫ জুনের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছিল।
স্বর্ণের দামে সাম্প্রতিক উত্থানের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতির নতুন তথ্য। জুলাইয়ে দেশটির ভোক্তা মূল্যসূচক এক বছরের ব্যবধানে ৩.৪ শতাংশ বেড়েছে, যা জুনের ৩.৫ শতাংশের চেয়ে কম এবং অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে আসায় আগামী সেপ্টেম্বরের বৈঠকে ফেডারেল রিজার্ভ সুদহার বাড়াতে পারে—এমন আশঙ্কাও কমেছে। সিএমই ফেডওয়াচ টুল অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের বৈঠকে সুদহার বাড়ানোর সম্ভাবনা এক সপ্তাহ আগের প্রায় ৫৫ শতাংশ থেকে কমে ৩৬ শতাংশে নেমেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পতন স্বর্ণের দীর্ঘমেয়াদি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সমাপ্তি নাও হতে পারে। বরং সুদহার কমার প্রত্যাশা জোরালো হলে এবং ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বজায় থাকলে স্বর্ণের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে।