ঢাকা | বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম :
     হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু      ইমরান খানের মৃত্যুর গুঞ্জন, পাকিস্তানে ছড়াচ্ছে উত্তেজনা      কাদের-সাদ্দামসহ ৭ আসামির পক্ষে দ্বিতীয় দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন      ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশে ভর্তির আবেদন, ক্লাস শুরুর সম্ভাবনা ১২ নভেম্বর      সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে মহাবিপদে পড়েছিল জাপান      কুয়েট শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন      নাট্যকার তানিন রহমানের মৃত্যু, নাট্যাঙ্গনে শোক      জ্বালানি খাতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করা নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ মন্ত্রীর      ফখরুলের শূন্যস্থান পূরণে বিএনপিতে আলোচনায় তিন নাম      নেত্রকোনায় ট্রাক-পিকআপের সংঘর্ষে নিহত ৪      হাসান-তাসকিনদের গতিতে মুগ্ধ হার্শা ভোগলে      রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নপত্র জমা হয়েছে ৩টি : ইসি সচিব      শীর্ষে উঠে আবারও স্বর্ণের দামে পতন      প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন নির্বাচন চাই না: হামিদুর রহমান আজাদ      তৃণমূলের থেকে দেশের সর্বোচ্চ পদে বসতে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল

সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে মহাবিপদে পড়েছিল জাপান

সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে মহাবিপদে পড়েছিল জাপান
জনতার কথা বলে।
Daily Barta Post
জাপানের আমামি ওশিমা দ্বীপে ‘হাবু’ নামের মারাত্মক বিষধর পিট ভাইপার সাপের উপদ্রব কমাতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে গিয়ে বড় ধরনের পরিবেশগত বিপদে পড়েছিল দেশটির কর্তৃপক্ষ। 
 
টাইমস অব ইন্ডিয়া ও ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেসের প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ১৯৬৭ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত ওই অঞ্চলে ২ হাজার ৬৭৩ জন মানুষ হাবু সাপের কামড়ের শিকার হন। সাপ থেকে রক্ষা পেতে ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ থেকে আগে ওকিনাওয়ায় নেওয়া বেজির বংশধর থেকে ৩০টি বেজি আনা হয়েছিল আমামি ওশিমা দ্বীপে।
 
তবে সাপের উৎপাত বন্ধে গৃহীত এই পরিকল্পনাটি হিতে বিপরীত হয়। এর অন্যতম মূল কারণ ছিল- হাবু মূলত একটি নিশাচর প্রাণী এবং বেজি দিনের বেলা সক্রিয় থাকে। ফলে সাপের সাথে বেজির দেখা হওয়ার সম্ভাবনা ছিল খুবই কম।
 
জাপানের পরিবেশ মন্ত্রণালয় জানায়, হাবু সাপ শিকারের বদলে দিনের বেলা সক্রিয় থাকা বিপন্ন আমামি খরগোশ সহ দ্বীপটির বিরল বন্যপ্রাণিদের শিকার করতে শুরু করে বেজিগুলো। প্রাকৃতিক শিকারি না থাকায় এবং পর্যাপ্ত খাবারের কারণে ২০০০ সালের দিকে ৩০টি বেজি থেকে তা প্রায় ১০ হাজারে পরিণত হয়।   
 
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ২০০০ সাল থেকে শুরু হয় ব্যাপক নিধন অভিযান। ‘আমামি মঙ্গুজ বাস্টার্স’ দল গঠন করে ৩০ হাজারের বেশি ফাঁদ, ৩০০ ক্যামেরা এবং প্রশিক্ষিত কুকুর দিয়ে পুরো দ্বীপে বেজি খোঁজার কাজ চালানো হয়।
 
দীর্ঘ অভিযানের পর ২০১৮ সালের এপ্রিলে শেষবারের মতো একটি বেজি ফাঁদে ধরা পড়ে। এরপর টানা কয়েক বছর ব্যাপক নজরদারি চালিয়ে অবশেষে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দ্বীপটিকে পুরোপুরি বেজিমুক্ত ঘোষণা করে দেশটির পরিবেশ মন্ত্রণালয়।
 
বাংলাদেশ থেকে যাওয়া এই বেজির হাত থেকে বিরল প্রাণী ও পরিবেশ বাঁচাতে জাপানের সময় লাগে দীর্ঘ ৪৫ বছর। অন্যদিকে ২০০০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এই নিধন অভিযানে জাপানের ব্যয় হয়েছে ৩.৫৭ বিলিয়ন ইয়েন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৯০ কোটি টাকা। 
এলাকা ভিত্তিক সংবাদ