ঢাকা | সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম :
    ⊙ এমপির নেতৃত্বে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ধ্বংসযজ্ঞ-মবতন্ত্র চলে: আসিফ মাহমুদ     ⊙ শরীর নিয়ে কটাক্ষ, প্রকাশ্যে স্বরার ব্যতিক্রমী জবাব     ⊙ নিয়োগপত্র হাতে না পাওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন প্রাথমিকে বঞ্চিতরা     ⊙ দখলবাজি-চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা ক্ষমতাসীন দলের জন্য অশনিসংকেত: টিআইবি     ⊙ নিয়ন্ত্রণহীন এআই ১০০ কোটি মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে: বিল গেটস     ⊙ সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ‘প্রতিশোধ’ নিতে চান শমিত     ⊙ ৩৫ কাঠা জমির বিরোধ থেকেই সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে ভাঙচুর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী     ⊙ কৃষকদের জন্য চালু হবে ‘রাষ্ট্রপতি কৃষি পুরস্কার’     ⊙ পরমাণু অস্ত্র তৈরির পথ খোলা রেখেছে সৌদি আরব     ⊙ মনোনয়ন জমা দিলেন রাষ্ট্রপতির ভাইসহ ৬ জন     ⊙ জাতিসংঘ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন আগামীকাল     ⊙ তীব্র গরমে ভোগান্তি কমাতে মানবিক উদ্যোগ ভাতা গ্রহীতা ও কর্মীদের মাঝে খাবার-পানি বিতরণ     ⊙ আগামী এক বছরের মধ্যে ঢাকা-সিলেট ছয় লেন মহাসড়ক দৃশ্যমান হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী     ⊙ সড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার দাবি জাতীয় কমিটির     ⊙ যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিদেশিদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের জরুরি নির্দেশনা

সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে মহাবিপদে পড়েছিল জাপান

সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে মহাবিপদে পড়েছিল জাপান
জনতার কথা বলে।
Daily Barta Post
জাপানের আমামি ওশিমা দ্বীপে ‘হাবু’ নামের মারাত্মক বিষধর পিট ভাইপার সাপের উপদ্রব কমাতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে গিয়ে বড় ধরনের পরিবেশগত বিপদে পড়েছিল দেশটির কর্তৃপক্ষ। 
 
টাইমস অব ইন্ডিয়া ও ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেসের প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ১৯৬৭ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত ওই অঞ্চলে ২ হাজার ৬৭৩ জন মানুষ হাবু সাপের কামড়ের শিকার হন। সাপ থেকে রক্ষা পেতে ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ থেকে আগে ওকিনাওয়ায় নেওয়া বেজির বংশধর থেকে ৩০টি বেজি আনা হয়েছিল আমামি ওশিমা দ্বীপে।
 
তবে সাপের উৎপাত বন্ধে গৃহীত এই পরিকল্পনাটি হিতে বিপরীত হয়। এর অন্যতম মূল কারণ ছিল- হাবু মূলত একটি নিশাচর প্রাণী এবং বেজি দিনের বেলা সক্রিয় থাকে। ফলে সাপের সাথে বেজির দেখা হওয়ার সম্ভাবনা ছিল খুবই কম।
 
জাপানের পরিবেশ মন্ত্রণালয় জানায়, হাবু সাপ শিকারের বদলে দিনের বেলা সক্রিয় থাকা বিপন্ন আমামি খরগোশ সহ দ্বীপটির বিরল বন্যপ্রাণিদের শিকার করতে শুরু করে বেজিগুলো। প্রাকৃতিক শিকারি না থাকায় এবং পর্যাপ্ত খাবারের কারণে ২০০০ সালের দিকে ৩০টি বেজি থেকে তা প্রায় ১০ হাজারে পরিণত হয়।   
 
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ২০০০ সাল থেকে শুরু হয় ব্যাপক নিধন অভিযান। ‘আমামি মঙ্গুজ বাস্টার্স’ দল গঠন করে ৩০ হাজারের বেশি ফাঁদ, ৩০০ ক্যামেরা এবং প্রশিক্ষিত কুকুর দিয়ে পুরো দ্বীপে বেজি খোঁজার কাজ চালানো হয়।
 
দীর্ঘ অভিযানের পর ২০১৮ সালের এপ্রিলে শেষবারের মতো একটি বেজি ফাঁদে ধরা পড়ে। এরপর টানা কয়েক বছর ব্যাপক নজরদারি চালিয়ে অবশেষে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দ্বীপটিকে পুরোপুরি বেজিমুক্ত ঘোষণা করে দেশটির পরিবেশ মন্ত্রণালয়।
 
বাংলাদেশ থেকে যাওয়া এই বেজির হাত থেকে বিরল প্রাণী ও পরিবেশ বাঁচাতে জাপানের সময় লাগে দীর্ঘ ৪৫ বছর। অন্যদিকে ২০০০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এই নিধন অভিযানে জাপানের ব্যয় হয়েছে ৩.৫৭ বিলিয়ন ইয়েন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৯০ কোটি টাকা। 
এলাকা ভিত্তিক সংবাদ