ঢাকা | শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম :
    ⊙ সৈকতের বালুচরে বসে ভালোবাসার চিহ্ন আঁকছেন পারশা     ⊙ ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহী চীনা ব্যাংক     ⊙ দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে ধাক্কা, দুর্ঘটনায় মন্ত্রীর মেয়েসহ নিহত ৪     ⊙ অভিনেত্রীকে বিয়ের দেড় বছর পর রেজিস্ট্রি, কারণ জানালেন অভিনেতা     ⊙ ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসি রাকিবুল গ্রেফতার, নেওয়া হচ্ছে আদালতে     ⊙ ইরানি প্রতিনিধিদল দেশে ফিরবে কীভাবে, প্রশ্ন তুললেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী     ⊙ মেঘনায় জাল পাতা নিয়ে ৪ ট্রলারে সংঘর্ষ, আহত ১০     ⊙ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত ইয়ামি     ⊙ জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে আন্তর্জাতিক ঋণদাতাদের চাপ ছিল : রিজভী     ⊙ সরকার-বিরোধীদলের যতই মতানৈক্য ঘটুক, ফ্যাসিবাদ যেন ফিরে না আসে : রিজভী     ⊙ ৪৭ নেতাকর্মীকে নিজ খরচে ওমরায় পাঠালেন লুৎফুজ্জামান বাবর     ⊙ ব্যাংকিং ব্যবস্থায় জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান     ⊙ আলোচনায় অপ্রতিমের মা ড. নাহিদার চব্বিশের ফেসবুক পোস্ট     ⊙ সরকারকে দোষ দেই না, নানা খরচে সরকার বিপর্যস্ত : রুমিন ফারহানা     ⊙ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জুলাই শহিদ মুগ্ধের পরিবারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নেপালে বিপর্যয়ের মধ্যেই আরও একটি বন্যার শঙ্কা

নেপালে বিপর্যয়ের মধ্যেই আরও একটি বন্যার শঙ্কা
জনতার কথা বলে।
Daily Barta Post
সংগৃহীত ছবি

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পরও ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি। ওই অঞ্চলে আরও একটি বিধ্বংসী বন্যার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কাঠমান্ডুভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্টের জলবায়ু ও পরিবেশগত ঝুঁকি বিভাগের প্রধান চিয়াংগং ঝাং এই দ্বিতীয় দফা বন্যার আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন।তিনি বলেন, নেপাল-চীন সীমান্তের একটি নদীর উজানে এখনো ধ্বংসাবশেষের বাধা রয়েছে। সেটি ভেঙে গেলে আবারও বড় ধরনের বন্যা দেখা দিতে পারে।বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমবাহ দ্রুত গলছে। ফলে হিমবাহ-সৃষ্ট হ্রদের আকস্মিক বন্যা এবং হিমবাহ ধসে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে।নেপাল-তিব্বত সীমান্তের সাম্প্রতিক এই বিপর্যয় সেই ঝুঁকির ভয়াবহ দিকটি আবারও সামনে এনেছে।

হিমবাহ ধস, আকস্মিক বন্যা এবং পাহাড়ি নদীতে ধ্বংসাবশেষের প্রবল স্রোত একসঙ্গে তৈরি হলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে নেপাল পুলিশ জানিয়েছে, ভয়াবহ এই দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে।সীমান্তের ওপারে তিব্বতে আরও তিনজনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। ফলে দুই দেশের সীমান্ত এলাকায় মৃতের মোট সংখ্যা অন্তত ৩৬২ হতে পারে।

এখনো নিখোঁজ রয়েছে প্রায় এক হাজার মানুষ। নিখোঁজদের মধ্যে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য।উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে।নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা যখন ২৭৩ ছিল, তখন ৮২৩ জনের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। তাদের মধ্যে ছিলেন ৫৭৯ জন নেপালি ও বিদেশি পর্যটক।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, নিখোঁজদের মধ্যে প্রায় ১০০ জন চীনা নাগরিক ছিলেন।

তবে পরে উদ্ধারকারীরা নেপালে প্রায় ১০০ ভারতীয় পর্যটক এবং ২৫ জন চীনা শ্রমিককে খুঁজে পান।চীনের তিব্বতেও শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের হিসাবে, তিব্বতে নিখোঁজ ৫৫৮ জনের মধ্যে ২৬০ জন বিদেশি।

সূত্র: এএফপি

এলাকা ভিত্তিক সংবাদ