ভোলার মনপুরায় হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় মো. শান্ত (২৫) নামে এক যুবককে নদীর পাড় থেকে উদ্ধার করেছেন স্থানীয় কয়েকজন। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার ২ নম্বর হাজিরহাট ইউনিয়নের চৌধুরী বাজার সংলগ্ন পূর্ব নদীর পাড় এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া মো. শান্ত ২ নম্বর হাজিরহাট ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি মো. শাহাবুদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বুধবার রাত ৮টার দিকে কয়েকজন নৌকা নিয়ে নদীর পাড়ের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় তারা নদীর পাড় থেকে গোঙানির মতো শব্দ শুনতে পান। পরে নৌকা থেকে আলো ফেললে নদীর পাড়ে একজনকে পড়ে থাকতে দেখেন তারা।
উদ্ধারকারী মো. লিটন মাঝি বলেন, “আমরা নৌকা নিয়ে নদীর পাড়ের দিকে যাচ্ছিলাম। তখন নদীর পাড় থেকে গোঙানির শব্দ শুনতে পাই। পরে লাইট মেরে দেখি একজন লোক পড়ে আছে। কাছে গিয়ে দেখি, তার হাত-পা ও মুখ বাঁধা এবং দুই হাত একটি খুঁটির সঙ্গে বাঁধা। এমন অবস্থা দেখে আমরা ভয় পেয়ে যাই। পরে ওপর থেকে লোকজন ডেকে এনে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাই।”
স্থানীয়রা জানান, শান্তকে উদ্ধারের পর দ্রুত মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার জ্ঞান ফেরেনি বলে জানা গেছে।
শান্ত কীভাবে নদীর পাড়ে গেলেন, কারা তাকে সেখানে রেখে গেছে কিংবা কেন তার হাত-পা ও মুখ বাঁধা ছিল—এসব বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তার জ্ঞান ফেরার পর ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানা যেতে পারে।
ঘটনার বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে।